দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত ১৭ জনের পরিবারের মধ্যে ৭৭ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ট্রাস্টি বোর্ডের মঞ্জুর করা এসব চেক হস্তান্তর করেন জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ। এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ কার্যালয়ের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে ১৪ জন নিহতের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে, দুই গুরুতর আহতকে তিন লাখ টাকা করে এবং একজন আহতকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়া হয়।
এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় স্বজন হারানোর ক্ষতি কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ হওয়ার নয়। তবে আবেদন করে সরকারি সহায়তা হিসেবে পাওয়া এই অর্থ পরিবারের কল্যাণে কাজে আসবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ওড়শিউড়া গ্রামের বাসিন্দা আবু সাত্তার প্রায় সাড়ে সাত মাস আগে মোটরসাইকেলে জেলা সদর থেকে নবীনগর যাওয়ার পথে নবীনগর-রাধিকা সড়কে ট্রাক্টরের সঙ্গে দুর্ঘটনায় আহত হন। এতে তার ডান পা ভেঙে যায়। প্রথমে তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া হয়। বর্তমানে তার পায়ে রিং লাগানো রয়েছে।
আবু সাত্তার বলেন, বিআরটিএতে আবেদন করার পর কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই তিন লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক পেয়েছেন। এই অর্থ পেয়ে তার চিকিৎসা ও পরিবারের জন্য অনেক উপকার হয়েছে।
নবীনগর উপজেলার দোবাকান্দি পূর্ব ইউনিয়নে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত খাইরুলের বাবা ছাদেক মিয়া বলেন, সড়ক পারাপারের সময় দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার ছেলে মারা যায়। পরে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করলে সোমবার পাঁচ লাখ টাকা পেয়েছেন। ছেলে হারানোর শোকের সময়ে সরকার পাশে দাঁড়ানোয় তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।
জেলা বিআরটিএর সহকারী পরিচালক মো. ফারুক আলম বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবারের সদস্যরা ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারেন। ট্রাস্টি বোর্ড আবেদনগুলো সার্বিকভাবে পর্যালোচনা করে ক্ষতিপূরণের অর্থ অনুমোদন করে।
তিনি বলেন, সোমবার জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ১৭টি চেকে মোট ৭৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। হাইওয়ে থানা, বিভিন্ন থানা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন ফরম দেওয়া আছে। এ ছাড়া সাধারণ মানুষকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হচ্ছে।
ফারুক আলম আরও বলেন, প্রতিটি আবেদন কর্মকর্তারা যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করার পর ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে কোনো দালাল বা প্রতারক চক্রের অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার সুযোগ নেই।
যে আই